• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সাম্বাদিক আইচ্ছে পালাও!

।। আমিরুল হক ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেলওয়ে মাঠে তিনটি পয়েন্টে চলছে তাসের মাধ্যমে জুয়া। এদেরকে ঘিরে দাড়িয়ে আছে আরও কয়েকজন। অপেক্ষায় আছে আরো কয়েকজন। কেউ সর্বশান্ত হলে ওই জায়গায় আরেকজন বসবে। এভাবে জটলা বেধে জুয়ার আসর মেতে উঠেছিল জুয়াড়িরা। ঠিক এমন সময় কয়েকজন সাংবাদিক মাঠে প্রবেশ করে। সাংবাদিকদের এমন আগমনে জুয়ায় মেতে ওঠাদের মধ্যে থেকে হঠাৎ একযোগে অনেকেই বলে উঠে “সাম্বাদিক আইচ্ছে পালাও”। মাত্র এক মিনিটের মধ্যে ফাঁকা হয়ে যায় পুরো মাঠ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রেলওয়ে বিভাগীয় শহরের এ মাঠে কতৃপক্ষ বিজয় ও স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান করে থাকে। এছাড়া রেলওয়ের বিভাগীয় পর্যায়ে ফুটবল, ভলিবলসহ নানা ধরনের খেলা আয়োজন করা হয় এ মাঠে। বিকেলে নানা বয়সী ছেলেরা ফুটবল ও ক্রিকেট, ভলিবলসহ বিভিন্ন ধরনের খেলার অনুশলীন করে। কেন্দ্রীয় ঈদগাহ হিসেবে এখানে বছরের দুটি ঈদের প্রধান জামায়াতও অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু শহরবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ন এ মাঠ এখন জুয়ারি ও মাদকসেবীদের দখলে চলে গেছে।


শাহজাদা আরমান নামের এক যুবক জানান, মাঠে জুয়ার আসর বসায় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। লাখ লাখ টাকার জুয়া অনেকটা প্রকাশ্যে চলে। এছাড়া সন্ধা নামলে শুরু হয় মাদক বিক্রি ও সেবন। গাঁজা, বাংলা মদ ও ইয়াবা বিক্রি হয়ে দেদারসে। আশপাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাই তাদের টার্গেট। টোকাই ও হকারদের মাধ্যমে তারা সেবনকারীদের হাতে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে এসে মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে অনেকে। একপর্যায়ে নিয়মিত সেবন করতে হয়।
শহরের বাশঁবাড়ী এলাকার ক্রিকেটার সাদ্দাম হোসেন বলেন, জুয়ারি ও মাদকসেবীদের কারনে এখানকার পরিবেশ বাজে হয়েছে। তাই এখানে প্রাকটিস বন্ধ করে দিয়েছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে অভিযোগ করে বলেন, এসবের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কিছু প্রভাবশালী মহল। যারা সব ম্যানেজ করে চালাচ্ছে জুয়া ও মাদক ব্যবসা। এসব বন্ধে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেন তাঁরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ